বুদ্ধ পূজা ও গাথা সমগ্র এবং বিবিধ | Buddha Puja Gatha Collection

লেখার সাইজ:
বুদ্ধ পূজা ও গাথা সমগ্র  | Buddha Puja Gatha Collection
সূচীপত্র (Table of Contents)

পুষ্প পূজা

ৰণ্ণগন্ধগুণোপেতং এতং কুসুমসন্ততিং,
পূজযামি মুনিন্দস্স সিরিপাদে সরোরুহে।
পূজেমি বুদ্ধং কুসুমেন তেন
পুঞ্ঞেন মে তেন চ লভামি মোক্খং।
পুপ্ফং মিলাযতি যথা ইদম্মে
কাযো তথা যাতি ৰিনাসভাৰং।

প্রদীপ পূজা

ঘনসারপ্পদিত্তেন দীপেন তমধংসিনা,
তিলোকদীপং সম্বুদ্ধং পূজযামি তমোনুদং।

সুগন্ধি পূজা

গন্ধসম্ভারযুত্তেন, ধূপেনাহং সুগন্ধিনা,
পূজযে পূজনেয্যন্তং পূজা-ভাজনমুত্তমং।
সুগন্ধিকায-ৰদনমনন্তগুণ-গন্ধিনং,
সুগন্ধিনাহং গন্ধিনা পূজযামি তথাগতং।

পটিপত্তি পূজা

ইমায ধম্মানুধম্মপটিপত্তিযা বুদ্ধং পূজেমি,
ইমায ধম্মানুধম্মপটিপত্তিযা ধম্মং পূজেমি,
ইমায ধম্মানুধম্মপটিপত্তিযা সঙ্ঘং পূজেমি,
অদ্ধা ইমায ধম্মানুধম্মপটিপত্তিযা জাতি-জরা-ব্যাধি-মরণম্হা ধম্মা পরিমুচ্চিস্সামি।

ত্রিশরণ গাথা

বুদ্ধের শরণাগত নরকে না যায়, 
নরলোক পরিহরি দেবলোক পাই। 
ধর্মের শরণাগত নরকে না যায়, 
নরলোক পরিহরি দেবলোক পাই। 
সংঘের শরণাগত নরকে না যায়, 
নরলোক পরিহরি দেবলোক পাই। 
ভূধর, কন্দর কিংবা জনহীন বন, 
শান্তি হেতু লয় লোকে সহস্র শরণ। 
ত্রিরত্ন শরণ কিন্তু সর্ব দুঃখ হর, 
লভিতে এটারে সদা হও অগ্রসর। 
এই বন্দনা এই পূজা এই জ্ঞান প্রভায়, 
সর্ব তৃষ্ণা সর্ব দুঃখ ক্ষয় যেন পায়।

পুষ্প পূজা গাথা

বর্ণগন্ধ গুণযুক্ত কুসুম প্রদানে, 
পূজিতেছি পূজিতেছি বুদ্ধ ভগবানে। 
এই পুষ্প এই ক্ষণ সুন্দর বরণ, 
মনোরম গন্ধতার সুন্দর গঠন। 
কিন্তু শীঘ্র বর্ণ তার হবে মলিন, 
দুর্গন্ধ দুর্গঠন অনিত্য বিলীন। 
এইরূপ জড়াজড় সকলি অনিত্য, 
সকলি দুঃখের হেতু সকলি অনাত্মা। 
এই বন্দনা এই পূজা এই জ্ঞান প্রভায়, 
সর্ব তৃষ্ণা সর্ব দুঃখ ক্ষয় যেন পায়।

প্রদীপ পূজা গাথা

অন্ধকার ধ্বংসকারী এই দীপ দানে, 
পূজিতেছি পূজিতেছি বুদ্ধ ভগবানে। 
দীপের আলোক যথা অন্ধকার হরে, 
জ্ঞানের আলোক তথা মোহ দূর করে।
কেমন সুন্দর দীপ নয়ন রঞ্জন,
কিন্তু এটা হতেছে ক্ষয় অনুক্ষণ।
এই সলিতা এই তৈল যবে ফুরাইবে, 
তখন এ যোগ জাত দীপ নিভে যাবে।
সেইরূপ তৃষ্ণা তৈল গেলে শুকাইয়া, 
জীবনের দুঃখ শিখা যায় নির্বাপিয়া।
এই বন্দনা এই পূজা এই জ্ঞান প্রভায়,
সর্ব তৃষ্ণা সর্ব দুঃখ ক্ষয় যেন পায়।

বুদ্ধ পূজা গাথা

বুদ্ধপূজা কী আনন্দ ওহে ভক্তগণ,
এটা বড় মহাপুণ্য লাভের কারণ। 
মিলি মোরা এক সঙ্গে আনন্দিত মনে, 
নানা দ্রব্য সাজাইয়া পরম যতনে। 
খাদ্য-ভোজ্য প্রদীপ পুষ্প সুবাসিতময়, 
মহানন্দে বুদ্ধপদে পূজা দিতে হয়। 
সুগন্ধতে বিভূষিত আনন্দিত মন, 
আজি বুদ্ধে দিব পূজা হয়ে একমন। 
অসার মানব জীবন বিনা পুণ্য ধন, 
নাহি হবে এই ভবে সুখের কারণ। 
তাই মিলে পুণ্য দিনে মিলি সর্বজন,
প্রভু বুদ্ধ দিব পূজা হয়ে একমন। 
দয়ার সাগর বুদ্ধ মুক্তির আকর, 
অনন্ত পুণ্যের জ্যোতি এই চরাচর। 
এমন পূর্ণিমা দিনে মিলি সর্বজন, 
এসো পূজি মহানন্দে বুদ্ধের চরণ। 
দয়ার সাগর বুদ্ধ অগতির গতি, 
বুদ্ধ পূজায় পাব মোরা পরম সুগতি। 
এই বন্দনা এই পূজা এই জ্ঞান প্রভায়, 
সর্ব তৃষ্ণা সর্ব দুঃখ ক্ষয় যেন পায়।

বৈশাখী পূর্ণিমা গাথা

বৈশাখী পূর্ণিমা তিথি অতি শুভক্ষণ, 
ধরাভরা চন্দ্র আলো অতি সুশোভন। 
থোপা চন্দ্র জোনিপোকা তরু শাখা ধরি, 
ঝিকিমিকি করিতেছে চন্দ্র আলো স্মরি। 
সরোবরে কুমুদিনী পেয়ে চন্দ্র আলো, 
ফুল্লমনে বলে আহা আজি বড় ভালো। 
এমন পূর্ণিমা দিনে লুম্বিনী উদ্যানে, 
বুদ্ধাঙ্কুর জন্ম নিল অতি শুভক্ষণে। 
জন্মক্ষণে বসুন্ধরা সশব্দে কাঁপিয়ে, 
আনন্দ প্রকাশ করে সাধুবাদ দিয়ে। 
স্বর্গে থেকে দেবগণ সাধুবাদ করে, 
আনন্দে পুরিত ধরা বুদ্ধাঙ্কুর হেরে। 
জন্ম মাত্র জ্যেষ্ঠ আমি শ্রেষ্ঠ আমি বলি, 
ধরাধামে প্রকাশিল হস্ত এক তুলি। 
আনন্দেতে পাখিকুল বিস্তারিয়ে ডানা, 
হেলি দুলি নাচে আর শব্দ করে নানা। 
মৃদুমন্দ বহি বায়ু আনন্দ জানায়, 
পাপীর ত্রাণকর্তা এল এ ধরায়। 
এহেন পবিত্র দিনে নৈরঞ্জনা তীরে বসি সারাক্ষণ,
সর্ব রাত্রি মার সাথে করি ঘোর রণ। 
সর্বক্লেশ বিনাশিয়ে লাভি বোধিজ্ঞান, 
বুদ্ধ নামে খ্যাত হল জগত প্রধান। 
বহুবিধ অলৌকিক শক্তি সহকারে, 
পঞ্চচত্তারিংশ বর্ষ জগৎ মাঝারে। 
সুধাময় নব ধর্ম করিয়ে প্রচার, 
নর-দেব ত্রিলোকের করি উপকার। 
অশীতি বছর পূর্নে করুণা নিকার, 
কুশীনারা শালবনে গিয়ে অতঃপর। 
শুভ জ্যোৎস্না আলো ধৌত গগণের তলে, 
বৈশাখী পূর্ণিমা দিনে দেব-নর দলে। 
কাঁদাইয়া নির্বাণ লভে বুদ্ধধন, 
জ্ঞান দীপ নির্বাপনে কাঁদিল ভুবন। 
ত্রিস্মৃতি জড়িত এই শুভ মহাদিনে, 
সবে মিলি শ্রদ্ধাভরে কায়-বাক্য-মনে। 
নতশিরে বন্দি সবে সুগত চরণ, 
করুণার কণা মাগ ওহে ভক্তগণ। 
এই বন্দনা এই পূজা এই জ্ঞান প্রভায়, 
সর্ব তৃষ্ণা সর্ব দুঃখ ক্ষয় যেন পায়।

আষাঢ়ী পূর্ণিমা গাথা

আষাঢ়ী পূর্ণিমা তিথি অতি মনোহর, 
ধবল জ্যোতিতে সবার হরিষ অন্তর। 
সরোবরে নাচে জল থৈ থৈ করি, 
তালে হংসদল ভাসে মনোহরি। 
জমি ডোবা জলে পূর্ণ দেখিতে সুন্দর, 
কুমুদ কমল তাহে শোভে নিরন্তর। 
পূর্ণ শশাঙ্ক আলো ভাতিয়ে জলেতে, 
অহো কি অপূর্ব শোভা কে পারে বর্ণিতে। 
এ সুন্দর শুভ দিনে প্রভু বুদ্ধাঙ্কুর,
তুষিত স্বর্গ হতে আসি অতঃপর। 
জগতের বহুবিধ কল্যাণের তরে, 
প্রতিসন্ধি গ্রহণিল মহামায়ার জঠরে। 
এ পবিত্র পূর্ণিমায় প্রভু বুদ্ধাঙ্কুর, 
গৃহত্যাগী চলে গেল অরণ্য ভিতর। 
এটা দেখি দেবগণ সাধুবাদ দানে, 
আনন্দ জানায় ভক্তি আর স্তুতি গানে। 
এই দিনে মৃগদাব বনে ভগবান, 
অনুত্তর ধর্মচক্র করে প্রবর্তন।
এই শুভ দিনে বুদ্ধ শ্রাবস্তী প্রাঙ্গনে, 
অপূর্ব যুগল ঋদ্ধি করি সেই ক্ষণে। 
তাবতিংস স্বর্গধামে বর্ষাবাস তরে, 
চলি গেল ইন্দ্রাসনে সবার গোচরে। 
এহেন সর্বজ্ঞ বুদ্ধ প্রাণের দেবতায়,
প্রাণভরি নতি জানাই এস হে সবাই।
এই চার মহাস্মৃতি বিজড়িত দিনে,
সবে মিলি বুদ্ধপূজা করি কায়-বাক্য- মনে।
আদর্শ আচার তার ওহে ভক্তগণ, 
আচরিত পাই যেন মোরা মোক্ষ ধন। 
এই বন্দনা এই পূজা এই জ্ঞান প্রভায়, 
সর্ব তৃষ্ণা সর্ব দুঃখ ক্ষয় যেন পায়।

মধু পূর্ণিমা গাথা

শ্রীমধু পূর্ণিমা তিথি মাধুরীমাময়, 
চারদিকে মৃদু মৃদু মধু বায়ু বয়। 
শাখে শিখী নাচে গাহে প্রীতিভরা আঁখি, 
সরোবরে খেলে সুখে হংস চকা-চকি। 
প্রকৃতির রাজ্য পূর্ণ আনন্দ লহরী, 
বুদ্ধগুণ স্মরি নাচে ময়ূর ময়ূরী। 
বাগানে কুসুম রাশি অতি মনোহর, 
পুকুর সলিল ভরা দেখিতে সুন্দর। 
সরসীতে শতদল রয়েছে ফুটিয়ে, 
রাজহংস পদ্মবনে যায় সাঁতারিয়ে। 
ধানের সবুজ মাঠে মৃদু বায়ু বয়, 
তাহা দেখি চাষীদল সুখে মগ্ন হয়। 
সুনির্মল শুভ্র আভা শারদ চন্দ্রিমা, 
বিতরিছে নিরবধি শারদ সুষমা। 
এমন সুন্দর দিনে প্রীতিফুল্ল মনে, 
পূজিতে বাসনা করি বুদ্ধ প্রাণ ধনে। 
অরণী ঘর্ষণ করি অগ্নি উৎপাদিয়ে, 
সুসিদ্ধ করিয়ে জল শুণ্ডেতে আনিয়ে। 
পুণ্য-পূত মনানন্দে পূজি বুদ্ধ ধনে, 
পুরিলে মনের সাধ গজ ফুল্ল মনে। 
কিশলয় শাখা গুচ্ছ শুণ্ডেতে ধরিয়ে, 
মৃদু মৃদু পাখা করে দুলিয়ে দুলিয়ে। 
নিত্য নিত্য গজরাজ বুদ্ধে এই রূপে,
পূজিয়ে ফুলকে তথা দীর্ঘদিন যাপে। 
এমন মধুর দৃশ্য করি দর্শন, 
পূজিতে আকুল হল বানরের মন। 
পরে এক মধুচক্র বানর দেখিল, 
হৃষ্ট চিত্তে তাহা এনে বুদ্ধকে পূজিল। 
শ্রী বুদ্ধের মধূপান দেখি অতঃপর, 
প্রীতি বেগে নৃত্য করে বনের বানর। 
বানরের ভক্তি শ্রদ্ধা আর মধু দানে, 
বনস্থলী প্রকম্পিত সাধুবাদ দানে। 
এমন পূজার দৃশ্য হেরী বন্যপ্রাণী, 
ক্রোধ-হিংসা ভুলি সবে করে মৈত্রী ধ্বনি। 
স্বর্গে থেকে এই পূজা দেখি দেবগণ, 
সাধুবাদ সহকারে পুষ্প বরিষণ। 
এরি সাথে সবে মিলি হয়ে একমন, 
আনন্দেতে সাধুবাদ দাও ঘন ঘন। 
আজি মোরা মধু দানে ভক্তিযুক্ত দানে, 
পূজিতেছি শ্রী বুদ্ধকে নির্বাণ কারণে। 
এই মহাপুণ্যফলে জন্ম জন্মান্তর, 
মধুকন্ঠ লভি যেন লালিত সুস্বর। 
এই বন্দনা এই পূজা এই জ্ঞান প্রভায়, 
সর্ব তৃষ্ণা সর্ব দুঃখ ক্ষয় যেন পায়।

আশ্বিনী পূর্ণিমা গাথা

আশ্বিনি পূর্ণিমা তিথি অতি শোভাময়, 
প্রকৃতির রাজ্যে সবে আনন্দিত হয়। 
মাঠ ভরা ধান ক্ষেত সোনার বরণ, 
দেখিতে সুন্দর কত না যায় বর্ণন। 
মৃদু মৃদু বায়ু যবে প্রবাহিত হয়, 
অপূর্ব তরঙ্গ খেলে ধানক্ষেত ময়, 
গোলাপ টগর চাঁপা শেফালী মালতী, 
জলপদ্ম বেল জবা জ্যোতি। 
সুন্দর কুসুম রাশি বিকশিয়ে ভবে,
সুমধুর গন্ধদানে তৃপ্ত করে সবে।
কমলিনী কুমুদিনী ফোটে সরোবরে,
অলিকুল তাহে নিত্য গুণগুণ করে।
পূর্ণ শশাঙ্ক আলো শান্ত স্নিগ্ধময়,
কুমুদিনী পেয়ে তারা আনন্দিত হয়।
প্রত্যুষে বিহঙ্গকুল ডানা বিস্তারিয়ে,
কলকল শব্দ করে আনন্দে মাতিয়ে।
এমন সুন্দর দিনে বুদ্ধ প্রাণ ধন, 
তাবতিংসে বর্ষাবাস করি সমাপন। 
স্বর্ণ-রৌপ্য মণিময় দিব্য সিঁড়ি দিয়ে, 
সাংকিশ্য নগর দ্বারে আসেন নামিয়ে। 
দেব-নর-ব্রহ্মা সবে পরস্পর, 
অবাধ দৃষ্টিতে দেখে পরম সুন্দর। 
এই সম্মেলন ক্ষণে দেব-ব্রহ্মা-নর, 
সাধুবাদ করি তোলে ভুবন মুখর। 
এমন সুন্দর দিনে মোরা সবে মিলি, 
সর্বজ্ঞ বুদ্ধকে পূজি ভক্তি প্রাণ খুলি। 
এহেন পবিত্র দিনে আজি ভক্তগণ, 
মিলন প্লাবন কর মন সংযোজন। 
এই বন্দনা এই পূজা এই জ্ঞান প্রভায়, 
সর্ব তৃষ্ণা সর্ব দুঃখ ক্ষয় যেন পায়।

আকাশ প্রদীপ গাথা (বাংলায়)

যত যত দান আছে, আনন্দ সকল পুছে 
নিস্তার করিতে জীবগণ।
দয়া কর সেবকেরে, ইচ্ছা বড় শুনিবারে 
কৃপা করি করহ বর্ণন।
তোমার মহিমা যত, তাহা বা কহিব কত 
তুমি প্রভু সবার তারণ।
সাগর অবধি যত, পাপীগণ শত শত, 
তুমি কৃপা কর যারে, সে জন চলে সত্বরে 
কিবা স্বর্গ নির্ব্বাণের ঠাঁই।
তুমি যে চালাও যথা, জীব সব চলে তথা 
তুমি ভিন্ন আর কেহ নাই।
তুমি শশী, তুমি রবি, তুমি জ্ঞানী, তুমি যোগী,
বৈদ্যরূপী তুমি ভগবান।
তুমি কৃপা কর যারে, সে যায় নির্বাণ পারে 
ছাড়াইয়া ভবের বন্ধন।
দীন হীন ধর্মরাজ, পাইবারে ধর্মরাজ 
পদযুগ করি আকিঞ্চন।
ধৰ্ম্ম পুরাবৃত্ত কথা, শ্রবণে অমৃত গাথা 
পদ বন্দে করি বিচরণ।
আনন্দ কহিল যদি এতেক স্তবন, 
কহিতে লাগিল বুদ্ধ প্রফুল্ল বদন। 
আর এক কথা বলে শুন দিয়া মন,
বুদ্ধের সম্মুখে দীপ দিবে যেই জন। 
ঘৃত, তৈল অথবা যে দিবে মোমবাতি, 
যেবা দিবে তিল তৈল শুন তার কীর্তি। 
তিন কল্প থাকে সেই ইন্দ্রের নগরে 
বহুবার চক্রবর্তী হইবে সংসারে। 
কার্তিকের চাঁদে দিবে আকাশ প্রদীপ, 
শত কল্প থাকিবে সে ব্রহ্মার সমীপ।
দিব্য জ্ঞান, দিব্য চক্ষু, দিব্য কলেবর,
নরকূলে জন্মে সেই হয়ে সাধু নর।
হীনকূলে জন্ম না হইবে কোন কালে 
চক্রবর্তী রাজা হইবে এ মহীমন্ডলে। 
আকাশ প্রদীপ যে মানব তুলিবে, 
কোন কালে সেইজন নরকে না যাইবে। 
অন্তকালে যাবে আর ব্রহ্মার ভুবন, 
কতেক কহিক সেই পূণ্যের কথন। 
এত শুনি রাহান্তারা করে জিজ্ঞাসন, 
আকাশ প্রদীপ দিবে কীসের কারণ। 
সেই কথা বিস্তারিয়া কহ মহাশয়, 
তব মুখে শুনি সব ঘুচিবে সংশয়। 
রাহান্তগণের এত শুনিয়া বচন, 
কহিলেন শ্রী আনন্দ কথা পুরাতন। 
দেবপুরে চূড়ামণি নামে চৈত্য আছে, 
আকাশ প্রদীপ দেওয়া সেই চৈত্যর কাছে। 
সংসার ত্যাজিয়া যবে বুদ্ধ ভগবান, 
রাত্রি যোগে করলেন কাননে প্রস্থান। 
প্রভাতে অনোমা তীরে হয়ে উপনীত, 
কাটিল চিকুর তলোয়ারে হস্তস্থিত। 
হস্তে লয়ে সেই চুল ঊর্ধ্বে উড়াইল, 
কুসুম ঝড়ের মত উঠিতে লাগিল। 
অন্তরীক্ষে থাকি তাহা দেখি পুরন্দর, 
সাদরে লইয়া গিয়া আপন নগর। 
মন্দির যোজন সপ্ত উচ্চ পরিমান, 
চুল স্থাপিবারে ইন্দ্র করিল নির্মাণ। 
নানা চিত্র বিচিত্র করে সুগঠন, 
সে মন্দিরে বুদ্ধ কেশ করিল স্থাপন। 
চূড়ামণি বলি নাম বিখ্যাত হইল,
যত দেবগণ মিলি এ নাম রাখিল।

প্রার্থনা

কায়-বাক্য-মনে পাপ করে বর্জন,
সবিনয়ে শ্রী চরণে এই নিবেদন। 
তব গুণে জানিয়াছি ওহে ভগবান, 
কামলোক, রূপলোক, অরূপ ভুবন। 
এই তিন ভুবন হতে মুক্তিলাভ তরে,
দান-শীল-ভাবনাদি করিনু সাদরে। 
হোক পুণ্যের ফল হইল ইহাতে, 
বার বার প্রণমিয়া যাচি ভক্তি চিত্তে। 
অরহত্ত মার্গ ফল লভিয়া তখন, 
চরম নির্বাণ লাভ যাচি ভগবান। 
আমার সঞ্চিত পুণ্য যাহা হইল এখন, 
গ্রহণ কর সবে সর্ব সত্ত্বগণ। 
লভি এই পুণ্যফল কর আশীর্বাদ,
অসাধু সনেতে বাস না করি কখন, 
সাধু সঙ্গ লাভ করি যেন আজীবন। 
নির্বাণ ধর্ম শুনি বুদ্ধের সাক্ষাতে, 
প্রব্রজ্যা হোক লাভ বুদ্ধের ছায়াতে। 
ঋদ্ধিময় চীবরাদি অষ্ট উপচার, 
হোক পুণ্যের ফল যাচি বার বার। 
তারপর স্রোতাপত্তি মার্গ আর ফল, 
সকৃদাগামী ও মার্গ অনাগামী ফল। 
লভি এই পুণ্যফল কর আশীর্বাদ
আনির্বাণ পুণ্যে মম না হয় প্রমাদ। 
সুখী হও সুখী হও এই মৈত্রী ভাবনা, 
দিবানিশি হিতসুখ করিনু প্রার্থনা।

চাঙমা কধায় আগাজ বাত্তি উরানার গুণ

আনন্দ পিজোর গরের ও-বুদ্ধ ভগবান, 
পরাণ বলার উদ্ধার অবার হী হী আঘে দান। 
আওজ গরঙর মুই সিয়েনি শুনিবাত্যেই, 
হুজোলী গরঙর ও-ভগবান এক্কা হবাত্যেই। 
পিথিমী আ সাগরত যিক্কুন পরাণ বলা আগন, 
তর মিয়েলৈ পাবিউন দুগতুন আজের ওই যাদন।
তুই বাদে কিয়োই উদ্ধার গোরি ন-পারন, 
তুই যারে মিয়ে গরস যাদি পায় তে নির্বাণ। 
তুই জুনান, তুই বেলান, তুই আমা ভগবান, 
ঠেঙত্ পুরি ঝু দোঙর হনা ধর্ম হদাআন। 
এদুক্কেন গুরি আনন্দ ভান্তে বুদ্ধতুন পুজোর গল্প,
হুজি ওনেই ভগবানে ধর্ম হদা হো-ধল্ল। 
মুই হঙর ও আনন্দ দোলেগুরি শুন, 
বুদ্ধর উদিজে আঙেবাব যারা মোমবাত্তিগুণ। 
ঘস্যা তেল শষ্য তেল আ দিলে ঘি, 
শুনো তুমি জন্মে জন্মে তে হী পেবগি। 
এই পুণ্যলৈ তিনকল্প স্বর্গলোগত্ থেবহ্, 
চক্রবর্তী রাজায়ো ভালক পল্লা অবহ্। 
হাদিমাস্যে পূন্নিমাত্ আগাজ বাত্তি আঙেনেই, 
এক'শ কল্প থেবহ্ তে ব্রহ্মলোগত্ জন্মেনেই।
দিব্যজ্ঞেন থেবহ্ তার থেবহ দিব্য চোখ, 
মানেই হুলে এলেয়ো তে পেবহ্ উত্তম সুখ।
হীন হুলে তে আর হনদিন ন যেবহ্,
নরক্কান হনবার লাগত্ তে ন পেবহ্।
মুরি গেলে ব্রহ্মলোগত্ জনম তে লবগৈ,
সে পুণ্যর ফল হদহ্ গেলে কৈ ন ফুরোই।
সিয়ান শুনি ভান্তেউনে পিজোর গুরিলাক,
আগাজ বাত্তি মানেউনে হিত্যেই আঙেবাক।
ভান্তেউনে আনন্দতুন শুনিবার চেলে,
বুদ্ধতুন শুন্যা ধর্ম হদা হলহ্ তে দোলে।
চুলামনি জাদি আগে দেবলোগো সিদু,
আগাজ বাত্তি দেনা সে জাদিবু ইদু।
ভগবান বুদ্ধ যেক্কে সংসার ছাড়িল,
রেদে রেদে তিনান রেজ্য তে পার অলহ্।
অনোমা ছড়ানত্ লুমিনেগৈ সেক্কে পত্র অল,
চুলানি ধুরি চুরিয়ান্দোই হাবি ফেলে'ল।
অধিষ্ঠান গুরি যেক্কে সেই চুলানি উড়েই দিলহ্
বুয়েরে উরেয়ে ফুলহ্ ধক্কে সিয়েনি উড়ি গেলহ্।
স্বর্গতুন ইন্দ্ররাজা দেগিনেই সেই চুলানি,
তাবতিংস স্বর্গত নেযেল সোনার জাগাত গুরি।
সাত যোজন অজল গুরি ইক্কো জাদি তুলিনেই,
পূজা ধল্লাক বুদ্ধর চুলানি সিয়োত রাগেনেই।
বেক দেবেদাউন সে জাদিবু পূজোদন,
বেগে মিলে জাদিবু নাঙান চুলামনি রাগেয়োন।
এধক্কেন গুরি হৈ আনন্দ হদা থুম গল্প,
সাধু সাধু হৈ উদিলাক শুনিয়ে ভিক্ষু সংঘ।
চুলামনি জাদি পূজিনে যারা আগি বোই,
বেগে মিলি এক সমারে সাধু সাধু হৈ।

বর মাগানা

হিয়ে-হদা-মনেদি পাপ ধাবে দিনেই,
ঠেঙত্ পুরি আত্-জুর গুরি এ বরানি চেই।
এক্কোয়ারে তিন লোগত্তুন সরান পেবাত্যেই,
দান-শীল-ভাবনা লই পুণ্য গুরি যেই। 
ইচ্চে এই পুণ্য বলে মাগি এ বরান, 
বজং মানেই সমার আমি ন অদং জনমান। 
গম মানেই সং সমাজে আমি পেই পারা, 
পাপ হাম ন গুরিদুং, পুণ্য হাম ছারা। 
বুদ্ধ ইদু যুনি আমি প্রব্রজ্যা মাগি, 
লগদ্ তগদ ভান্তে যেনে আমি ওই পারি। 
স্রোতাপত্তি, সকৃদাগামী আরো মার্গফল, 
অনাগামী আ অরহত এই চেরান ফল। 
ইয়েনি পেদুং বিলি ও'বুদ্ধ ভগবান, 
যাদিমাদি পেই পারা দোল নির্বাণান। 
ইজছে আমার যেদক্কানি পুণ্য জমা অলহ্, 
বেক্কুনরে ভাগ দির বেগে গুজি লহ্। 
এই পুণ্য লোনেই বেগে আমারে আশীর্বাদ গরহ্, 
পুণ্য হামত উজেই পারা ওইনেই দরমরহ। 
সুগে থাগহ্ সুগে থাগহ্ এই মৈত্রী দির, 
আমিও যেনে সুগে থেই এই বরান মাগির। 
এ বন্দনা এ পূজা এ পুণ্য লই, 
বেক তৃষ্ণা বেক দুক্কানি যাদি ভজ যোক্কোই।
এ বন্দনা এ পূজা এ সত্য লই,
আমা বেগর মনহ্ আঝানি পুরণ ওই যোক্কোই। 
এ বন্দনা এ পূজা এ জ্ঞান লই, 
যাদিমাদি আমি যেনে নির্বাণ লাগত্ পেয়োই।

মৈত্রী ভাবনা (পালি)

০১. অহং অৰেরো হোমি, অব্যাপজ্জো হোমি, অনীঘো হোমি, সুখী অত্তানং পরিহরামি, অহং ৰিয ময্হং আচরিযুপজ্ঝাযা, মাতা-পিতরো, হিতসত্তা, মজ্ঝত্তিকসত্তা, ৰেরীসত্তা অৰেরা হোন্তু, অব্যাপজ্জা হোন্তু, অনীঘা হোন্তু, সুখী অত্তানং পরিহরন্তু, দুক্খা মুঞ্চন্তু, যথালদ্ধসম্পত্তিতো মা ৰিগচ্ছন্তু কম্মস্সকা।

০২. ইমস্মিং ৰিহারে, ইমস্মিং গোচরগামে, ইমস্মিং নগরে, ইমস্মিং জনপদে, ইমস্মিং ৰঙ্গদেসে, ইমস্মিং জম্বুদীপে, ইমস্মিং পঠৰিযং, ইমস্মিং চক্কৰালে, ইস্সরজনা সীমট্ঠকা দেৰতা, সব্বে সত্তা অৰেরা হোন্তু, অব্যাপজ্জা হোন্তু, অনীঘা হোন্তু, সুখী অত্তানং পরিহরন্তু, দুক্খা মুঞ্চন্তু, যথালদ্ধসম্পত্তিতো মা ৰিগচ্ছন্তু কম্মস্সকা।

০৩. পুরত্থিমায দিসায, দক্খিণায দিসায, পচ্ছিমায দিসায, উত্তরায দিসায, পুরত্থিমায অনুদিসায, দক্খিণায অনুদিসায, পচ্ছিমায অনুদিসায, উত্তরায অনুদিসায, হেট্ঠিমায দিসায, উপরিমায দিসায, সব্বে সত্তা, সব্বে পাণা, সব্বে ভূতা, সব্বে পুগ্গলা, সব্বে অত্তভাৰ-পরিযাপন্না, সব্বা ইত্থিযো, সব্বে পুরিসা, সব্বে অরিযা, সব্বে অনরিযা, সব্বে দেৰা, সব্বে মনুস্সা, সব্বে অমনুস্সা, সব্বে ৰিনিপাতিকা অৰেরা হোন্তু, অব্যাপজ্জা হোন্তু, অনীঘা হোন্তু, সুখী অত্তানং পরিহরন্তু, দুক্খা মুঞ্চন্তু, যথালদ্ধসম্পত্তিতো মা ৰিগচ্ছন্তু কম্মস্সকা।

০৪. পুরত্থিমস্মিং দিসাভাগে সন্তি ভূতা মহিদ্ধিকা,
তেপি মং অনুরক্খন্তু আরোগ্যেন সুখেন চ।

০৫. দক্খিণস্মিং দিসাভাগে সন্তি দেৰা মহিদ্ধিকা,
তেপি মং অনুরক্খন্তু আরোগ্যেন সুখেন চ।

০৬. পচ্ছিমস্মিং দিসাভাগে সন্তি নাগা মহিদ্ধিকা,
তেপি মং অনুরক্খন্তু আরোগ্যেন সুখেন চ।

০৭. উত্তরস্মিং দিসাভাগে সন্তি যক্খা মহিদ্ধিকা,
তেপি মং অনুরক্খন্তু আরোগ্যেন সুখেন চ।

০৮. পুরত্থিমেন ধতরট্ঠো, দক্খিণেন ৰিরূল্হকো,
পচ্ছিমেন ৰিরূপক্খো, কুৰেরো উত্তরং দিসং।
চত্তারো তে মহারাজা লোকপালা যসস্সিনো,
তেপি মং অনুরক্খন্তু আরোগ্যেন সুখেন চ।

০৯. আকাসট্ঠা চ ভূম্মট্ঠা, দেৰনাগা মহিদ্ধিকা,
তেপি মং অনুরক্খন্তু আরোগ্যেন সুখেন চ।

১০. ইদ্ধিমন্তা চ যে দেৰা ৰসন্তা ইধ সাসনে,
তেপি মং অনুরক্খন্তু আরোগ্যেন সুখেন চ।

১১. নক্খত্তযক্খভূতানং পাপগ্গহনিৰারণা,
পরিত্তস্সানুভাৰেন হোন্তু তেসং উপদ্দৰে,
চত্তারো তে মহারাজা সক্কো চাপি সুরাপরে,
অনুমোদিত্বা ইমং পুঞ্ঞং চিরং রক্খন্তু সদ্ধম্মসাসন’ন্তি।

মৈত্রী ভাবনা গাথা (বাংলায়)

শীলেই কল্যাণ হয়, শীলের সমান, 
এই জগতে অন্যগুণ নাহি বিদ্যমান। 
ত্রিলোক মাঝারে যত শত্রু-মিত্র জন, 
সকলে হোক সুখী আর সত্ত্বগণ। 
রোগ শোক না লভিয়া হোক সুখীত, 
সকলেই সন্তোষ ভাবে থাকুক নিয়ত। 
ধরা ধামে জন্ম যারা করেছে গ্রহণ, 
যত প্রাণী বিশ্ব মাঝে করে বিচরণ। 
সর্বজীব হোক সুখী এই আমি চাই, 
নাহি পশে দুঃখ যেন কভু কারো ঠাঁই। 
সুরক্ষিত এবে আমি লভিয়াছি পরিত্রাণ, 
হিংসারত প্রাণীগণ যাও ছাড়ি এ স্থান। 
সুরক্ষিত এবে আমরা লভিয়াছি পরিত্রাণ, 
ক্রোধেরত প্রাণীগণ যাও ছাড়ি এ স্থান। 
সুরক্ষিত এবে তোমরা লভিয়াছ পরিত্রাণ, 
পাপেরত প্রাণীগণ যাও ছাড়ি এ স্থান। 
অপ্রমাণ ভগবান লইলাম নাম তাঁর, 
সপ্ত বুদ্ধে স্মরি আমি ভয় কিবা আছে আর।
অপ্রমাণ ভগবান লইলাম নাম তাঁর,
সপ্ত বুদ্ধে স্মরি আমরা ভয় কিবা আছে আর।
অপ্রমাণ ভগবান লইলাম নাম তাঁর,
সপ্ত বুদ্ধে স্মর তোমরা ভয় কিবা থাকবে আর।

মৈত্রী ভাবনা গাথা (চাঙমা কধায়)

কন শত্রু ন থাদোক্ মর, কন পীড়ায় ন ধরোক,
সুগে কাদি যোগ জীবনান, কন বিপদ ন এযোক।
মা-বাব, গুরু ঠাওর, বড়জন আর মর মাষ্টারুন,
ভালেদ চেইয়ে কোচপেইয়ে, মর বেগ শত্রুউন।
ম ধক্যা সুগী ওদোগ, কন শত্রু ন থাদোক,
রোগ-ব্যাধি ন ওক তারার বিপদদ ন পত্তোক।
যা সম্পত্তি তে ভোগ গড়ি, সুগে তারা থাদোক,
যা কর্ম তে ভোগ গড়ি, কন দুগত ন পত্তোেক।
কিয়ঙত আদামত আহ্ আমা এই দেজত,
রাজা রেজ্যত্ জম্বুদ্বীপদ্ গদা সংসারত।
চক্রবালত আগন যারা ধনী মানী জন,
বেক সত্ত্ব বেক প্রাণী যেই দেবতা আগন।
শত্রু নেইয়ে ওদোক তারা ন পত্তোক বিপদত্,
পীড়া ধীরা ন ধরিনেয় সুগী ওদোক জীবনত।
দুঃখ মুক্ত ওই তারা যা সম্পত্তি তে পাদোক,
যা কর্ম তে ভোগ গড়ি কন দুগত্ ন পত্তোক।
পুগ পশ্চিম উত্তর দগিন আর চের কোনায়,
উগুরেদি আ তলেদি যে যিয়োত থায়।
বেক্ সত্ত্ব বেক প্রাণী ভুত্ আ মানুচ্চুন,
হিয়্যা বলা যিউন আগন মিলে আর মরতুন।
আর্য অনার্য আর আগন বেক দেবেদা,
মানুষ আর ভুত প্রেত যা আগন গদা।
কনহ্ শত্রু ন থাদোক বিপদত্ ন পত্তোক,
রোগ-ব্যাধি লাগত্ ন পেই সুগে তারা থাদোক।
যা সম্পত্তি তে ভোগ গত্তোক কন দুগত ন পরি,
কনহ্ দুগ্‌ ন পাদোক আর যা কর্ম তে ভোেগ গরি।
যারা যারা ডাঙর ভুত আগন পুগেদি,
সুগে আমারে রাগাদোক বেক্ পীড়া কাদেইদি।
যারা যারা ডাঙর দেবেদা আগন দগিনে,
সুগে আমারে রাগাদোক রোগ নেই গরিনে।
পজিমেদি নাগ্ আগন যারা ঋদ্ধিমান,
তারায়ো নীরোগে সুগে আমারে যেন্ রাগান।
ডাঙর ডাঙর যক্ষ আগন যারা উত্তরে,
পীড়া ধাবেই দি সুগে রাগান তারা আমারে।
পুগে আগে ধৃতরাষ্ট্র দগিনে বিরূড়ক্,
পশ্চিমেদি বিরূপাক্ষ উত্তরেদি আগে কুব।
খুব ডাঙর রাজা তারা আগন চেরজন,
গমে সুগে আমারে বেগে গড়িবাক পালন।
যে দেবেদায় পালাদন বুদ্ধর এই শাসন,
আমারে গমে সুগে গরিবাক পালন।
আকাশে মাদিয়ে যেই দেবেদা আগন,
তারায়ো আমারে গমে সুগে রাগান।
উগুরেদি ব্রহ্মলোক তলে অবিচি নরগত্,
যে সমস্ত প্রাণী আগন এই চক্রবালত।
মাদিত থিয়ে প্রাণীউন দুঃখ উপদ্রব নেই ওদোক,
শত্রু নেইয়ে বিপদ নেইয়ে সুগে জীবন কাদাদোক।
উগুরেদি ব্রহ্মলোক তলে অবিচি নরগত্,
যে সমস্ত প্রাণী আগন এই চক্রবালত।
আগাজর বেক প্রাণীউন দুঃখ উপদ্রব নেইয়ে ওদোক,
শত্রু নেইয়ে বিপদ নেইয়ে সুগে জীবন কাদাদোক।
উগুরেদি ব্রহ্মলোক তলে অবিচি নরগত্,
যে সমস্ত প্রাণী আগন এই চক্রবালত।
পানিত থেয়ে প্রাণীউন দুঃখ উপদ্রব নেইয়ে ওদোক,
শত্রু নেইয়ে বিপদ নেইয়ে সুগে জীবন কাদাদোক।
উগুরেদি ব্রহ্মলোক তলে অবিচি নরগত্,
যে সমস্ত প্রাণী আগন এই চক্রবালত।
কাম ভুবনর প্রাণীউন দুঃখ উপদ্রব নেইয়ে ওদোক,
শত্রু নেইয়ে বিপদ নেইয়ে সুগে জীবন কাদাদোক।
উগুরেদি ব্রহ্মলোক তলে অবিচি নরগত্,
যে সমস্ত প্রাণী আগন এই চক্রবালত।
রূপলোক ব্রহ্মাউন দুঃখ উপদ্রব নেইয়ে ওদোক,
শত্রু নেইয়ে বিপদ নেইয়ে সুগে জীবন কাদাদোক।
উগুরেদি ব্রহ্মলোক তলে অবিচি নরগত্,
যে সমস্ত প্রাণী আগন এই চক্রবালত।
অরূপলোক ব্রহ্মাউন দুঃখ উপদ্রব নেইয়ে ওদোক,
শত্রু নেইয়ে বিপদ নেইয়ে সুগে জীবন কাদাদোক।

মৈত্রী ভাবনার সুফল

"মেত্তসুত্তং”-এ বলা হয়েছে, মৈত্রী ভাবনাকারী ব্যক্তি এগারো প্রকার ফল লাভ করে থাকেন; যথা:
(১) সুখং সুপতি-সুখে নিদ্রা যায়।
(২) সুখং পটিবুদ্ধতি-সুখে জাগ্রত হয়।
(৩) ন পাপকং সুপিনং পস্সতি-পাপস্বপ্ন দেখে না।
(৪) মনুস্মানং পিযো হোতি-মানুষের প্রিয় হয়। 
(৫) অমনুস্মানং পিযো হোতি-অমানুষের প্রিয় হয়।
(৬) দেবতা রন্তি-দেবগণ রক্ষা করে।
(৭) নাম্স অগ্নি বা বিসং বা সথং বা কমতি-অগ্নি, বিষ বা অস্ত্র দ্বারা দুঃখপ্রাপ্ত হয় না।
(৮) তুবটং চিত্তং সমাধিযতি-চিত্ত শীঘ্রই সমাধিস্থ হয়।
(৯) মুখবপ্নো বিপ্লসীদতি-মুখবর্ণ উজ্জ্বল হয়।
(১০) অসমূহো কালঙ্করোতি-সজ্ঞানে মৃত্যু হয়।
(১১) উত্তরিং অল্পটিবিজ্বন্তো ব্রহ্মলোকূপগো হোতি-মৈত্রী ভাবনাকারী অর্হত্ত্বমার্গফল প্রাপ্ত না হলেও মৃত্যুর পর ব্রহ্মলোকে উৎপন্ন হয়।

মরণানুস্মৃতি গাথা

০১। 'মরণং মে ভবিস্সতি' কর সদা এই স্মৃতি, 
রবে না মরণ ভীতি, কর স্মৃতি মরণং। 
০২। 'সব্বে সত্তা মরিস্পন্তি', রবে নাকো দেহ-কান্তি,
দূরে যাবে চিত্ত ক্লান্তি, কর স্মৃতি মরণং।
০৩। 'মরিংসু চ মরিস্পরে' ধ্রুব মৃত্যু এ সংসারে, 
মৃত্যু না রোধিতে পারে, কর স্মৃতি মরণং।
০৪। আয়ু সূর্য অস্ত যায়, দেখেও না দেখ তায়,
অন্ধকারে কী উপায়, কর স্মৃতি মরণং।
০৫। সাঙ্গ হবে ভব খেলা, রবে না আনন্দ মেলা,
কেনরে আপন ভোলা, কর স্মৃতি মরণং।
০৬। দারা সুত পরিজন, কিবা পর কি আপন, 
মৃত্যু বশে সর্বজন, কর স্মৃতি মরণং।
০৭। ঐ দেখ মৃত্যু কায়, কাষ্ঠখন্ড তুল্য হায়!
সদা স্মৃতি রাখ তায়, কর স্মৃতি মরণং।
০৮। জমে গেছে আবর্জনা, আর কিন্তু জমাইও না,
ক্ষয় কর আবর্জনা, কর স্মৃতি মরণং।
০৯। জন্মিলে মরতে হবে, মৃত্যু চিন্তা কর সবে,
অমর নাহিকো ভবে, কর স্মৃতি মরণং ।
১০। সংসারে সংসারী সেজে, রত থাক নিজ কাজে,
জল যথা পদ্ম মাঝে, কর স্মৃতি মরণং।
১১। কাজ কর কাজের বেলা, কর নাক অবহেলা,
বেঁচে যাবে যাবার বেলা, কর স্মৃতি মরণং ।
১২। জরায় জডি়ত হলে, কিছুই হল না বলে,
রবে না শোচনা কালে, কর স্মৃতি মরণং
১৩। দিনে দিনে আয়ু ক্ষয়, যেতে হবে যমালয়,
মৃত্যু কারো বশে নয়, কর স্মৃতি মরণং
১৪। কালের করাল গ্রাসে, পডি়বে যে অবশেষে,
ছাডি়বেনা কাল গ্রাসে, কর স্মৃতি মরণং।
১৫। ঐ দেখ জরা-ব্যাধি, পাছে ঘুরে নিরবধি,
কে খন্ডাবে কর্ম-বিধি, কর স্মৃতি মরণং।
১৬। ভবপারে যাবে যদি, কর স্মৃতি নিরবধি,
পাবে অমৃত নিধি, কর স্মৃতি মরণং।
১৭। দিনটি হারালে আর, পাবে নাকো পুনর্বার,
মৃত্যু চিন্তা কর সার, কর স্মৃতি মরণং।
১৮। আজকে যা পার কর, কালকের আশা নাহি কর,
জান না কখন মর, কর স্মৃতি মরণং
১৯। আজ মরি কি মরি কাল, মরণের কি আছে কাল,
তৈরি থাক সর্বকাল, কর স্মৃতি মরণং
২০। কাল যে কোথায় রবে, দিশা তার নাহি পাবে,
অনুতাপ দূর হবে, কর স্মৃতি মরণং
২১। মৃত্যু স্মৃতি যেবা করে, তি্রলক্ষণ জ্ঞান বাডে়,
মৃত্যুকে সে জয় করে, কর স্মৃতি মরণং
২২। ভোগের বাসনা তার, কভু না রহিবে আর,
সেই হবে ভব পার, কর স্মৃতি মরণং।
২৩। শমনে ধরিবে যবে, সুন্দর নিমিত্ত পাবে,
সজ্ঞানে সুগতি হবে, কর স্মৃতি মরণং।
২৪। উত্তম হবে গতি, দেবের বাঞি্ছত অতি,
দিব্য সুখ লভে যতি, কর স্মৃতি মরণং।
২৫। মৃত্যু স্মৃতি আছে যার, মরণে কি ভয় তার?
হবে সে দুঃখ পার, কর স্মৃতি মরণং।
২৬। সদা স্মৃতি রাখ সবে, স্মৃতি-ভান্ড বেডে় যাবে,
বিলায়ে আনন্দ পাবে, কর স্মৃতি মরণং।
২৭। দিনের পর অবশেষে, চিন্তা কর বসে বসে,
ভবপার তব কিসে, কর স্মৃতি মরণং।

বুদ্ধমূর্তির জীবন্যাস

বুদ্ধমূর্তির জীবন্যাস করার জন্য পূজার উপকরণ

১. হরীতকী, ২. আমলকী, ৩. বহেরা, ৪. দারুচিনি, ৫. জাইফল, ৬. মধু, ৭. সরিষার তেল, ৮. ঘি এবং ৯. মাখন।

বুদ্ধের নয় গুণ আরোপ

ইতিপি সো ভগৰা অরহং সম্মাসম্বুদ্ধো ৰিজ্জাচরণসম্পন্নো সুগতো লোকৰিদূ অনুত্তরো পুরিসদম্মসারথি সত্থা দেৰমনুস্সানং বুদ্ধো ভগৰা'তি।

ধর্মের ছয় গুণ আরোপ

স্বাক্খাতো ভগৰতা ধম্মো সন্দিট্ঠিকো অকালিকো এহিপস্সিকো ওপনযিকো পচ্চত্তং ৰেদিতব্বো ৰিঞ্ঞূহী'তি।

সংঘের নয় গুণ আরোপ

সুপটিপন্নো ভগৰতো সাৰকসঙ্ঘো উজুপটিপন্নো ভগৰতো সাৰকসঙ্ঘো ঞাযপটিপন্নো ভগৰতো সাৰকসঙ্ঘো সামীচিপটিপন্নো ভগৰতো সাৰকসঙ্ঘো, যদিদং চত্তারি পুরিসযুগানি অট্ঠ পুরিসপুগ্গলা এস ভগৰতো সাৰকসঙ্ঘো, আহুনেয্যো পাহুনেয্যো দক্খিণেয্যো অঞ্জলিকরণীযো অনুত্তরং পুঞ্ঞক্খেত্তং লোকস্সা'তি।

অনেকজাতিসংসার গাথা

অনেকজাতিসংসারং সন্ধাৰিস্সং অনিব্বিসং,
গহকারকং গৰেসন্তো, দুক্খা জাতি পুনপ্পুনং।
গহকারক দিট্ঠোসি, পুন গেহং ন কাহসি,
সব্বা তে ফাসুকা ভগ্গা, গহকূটং ৰিসঙ্খতং,
ৰিসঙ্খারগতং চিত্তং, তণ্হানং খযমজ্ঝগা'তি।

পটিচ্চসমুপ্পাদ (অনুলোম)

ইতি ইমস্মিং সতি ইদং হোতি, ইমস্স উপ্পাদা ইদং উপ্পজ্জতি, যদিদং— অৰিজ্জাপচ্চযা সঙ্খারা, সঙ্খারপচ্চযা ৰিঞ্ঞাণং, ৰিঞ্ঞাণপচ্চযা নামরূপং, নামরূপপচ্চযা সল়াযতনং, সল়াযতনপচ্চযা ফস্সো, ফস্সপচ্চযা ৰেদনা, ৰেদনাপচ্চযা তণ্হা, তণ্হাপচ্চযা উপাদানং, উপাদানপচ্চযা ভৰো, ভৰপচ্চযা জাতি, জাতিপচ্চযা জরামরণং সোক-পরিদেৰ-দুক্খ-দোমনস্সুপাযাসা সম্ভৰন্তি। এৰমেতস্স কেৰলস্স দুক্খক্খন্ধস্স সমুদযো হোতী'তি।

পটিচ্চসমুপ্পাদ (পটিলোম)

ইমস্মিং অসতি ইদং ন হোতি, ইমস্স নিরোধা ইদং নিরুজ্ঝতি, যদিদং— অৰিজ্জাযত্বেৰ অসেসৰিরাগনিরোধা সঙ্খারনিরোধো, সঙ্খারনিরোধা ৰিঞ্ঞাণনিরোধো, ৰিঞ্ঞাণনিরোধা নামরূপনিরোধো, নামরূপনিরোধা সল়াযতননিরোধো, সল়াযতননিরোধা ফস্সনিরোধো, ফস্সনিরোধা ৰেদনানিরোধো, ৰেদনানিরোধা তণ্হানিরোধো, তণ্হানিরোধা উপাদাননিরোধো, উপাদাননিরোধা ভৰনিরোধো, ভৰনিরোধা জাতিনিরোধো, জাতিনিরোধা জরামরণং সোক-পরিদেৰ-দুক্খ-দোমনস্সূপাযাসা নিরুজ্ঝন্তি। এৰমেতস্স কেৰলস্স দুক্খক্খন্ধস্স নিরোধো হোতী'তি।

উদান গাথা

যদা হৰে পাতুভৰন্তি ধম্মা।
আতাপিনো ঝাযতো ব্রাহ্মণস্স।
অথস্স কঙ্খা ৰপযন্তি সব্বা।
যতো পজানাতি সহেতুধম্ম”ন্তি॥

যদা হৰে পাতুভৰন্তি ধম্মা।
আতাপিনো ঝাযতো ব্রাহ্মণস্স।
অথস্স কঙ্খা ৰপযন্তি সব্বা।
যতো খযং পচ্চযানং অৰেদী”তি॥

যদা হৰে পাতুভৰন্তি ধম্মা।
আতাপিনো ঝাযতো ব্রাহ্মণস্স।
ৰিধূপযং তিট্ঠতি মারসেনং।
সূরিযোৰ ওভাসযমন্তলিক্খ”ন্তি॥

পট্ঠানপচ্চয উদ্দেস

হেতুপচ্চযো, আরম্মণপচ্চযো, অধিপতিপচ্চযো, অনন্তরপচ্চযো, সমনন্তরপচ্চযো, সহজাতপচ্চযো, অঞ্ঞমঞ্ঞপচ্চযো, নিস্সযপচ্চযো, উপনিস্সযপচ্চযো, পুরেজাতপচ্চযো, পচ্ছাজাতপচ্চযো, আসেৰনপচ্চযো, কম্মপচ্চযো, ৰিপাকপচ্চযো, আহারপচ্চযো, ইন্দ্রিযপচ্চযো, ঝানপচ্চযো, মগ্গপচ্চযো, সম্পযুত্তপচ্চযো, ৰিপ্পযুত্তপচ্চযো, অত্থিপচ্চযো, নত্থিপচ্চযো, ৰিগতপচ্চযো, অৰিগতপচ্চযোতি।

অভিসেক গাথা

জযন্তো বোধিযা মূলে, সক্যানং নন্দিৰড্ঢনো,
এৰমেৰ জযো হোতু, জযস্সু জযমঙ্গলে।
অপরাজিতপল্লঙ্কে সীসে পুথুৰিমুক্খলে,
অভিসেকে সম্বুদ্ধানং অগ্গপ্পত্তো পমোদতি। (তিনবার)

উগ্ঘোসনা গাথা

জযো হি বুদ্ধস্স সিরীমতো অযং,
মারস্স চ পাপিমতো পরাজযো।
উগ্ঘোসযুং বোধিমণ্ডে পমোদিতা,
জযং তদা দেৰগণা মহেসিনো।

জযো  হি বুদ্ধস্স সিরীমতো অযং,
মারস্স চ পাপিমতো পরাজযো।
উগ্ঘোসযুং বোধিমণ্ডে পমোদিতা,
জযং তদা নাগগণা মহেসিনো।

জযো হি বুদ্ধস্স সিরীমতো অযং,
মারস্স চ পাপিমতো পরাজযো।
উগ্ঘোসযুং বোধিমণ্ডে পমোদিতা,
জযং তদা সুপণ্ণসঙ্ঘাপি মহেসিনো।

জযো হি বুদ্ধস্স সিরীমতো অযং,
মারস্স চ পাপিমতো পরাজযো।
উগ্ঘোসযুং বোধিমণ্ডে পমোদিতা,
জযং তদা ব্রহ্মগণা মহেসিনো”তি।

গিলান প্রত্যয় পূজা (সকালে)

ৰণ্ণগন্ধসমন্নাগতং মধুরাদি রসসংযুত্তং নানাভেসজ্জেহি ইদং পূজং ভগৰতো উপনমিতং অনুকম্পং উপাদায পটিগ্গণ্হাতুমুত্তমং। (তিনবার)

পানীয়াদি ভৈষজ্য পূজা (বিকালে)

মধুরং সীতলং কপ্পং পানীযঞ্চ ভেসজ্জং অনুকম্পং উপাদায পটিগ্গণ্হাতুমুত্তমং। (তিনবার)

হেতু প্রত্যয় গাথা (মানুষের মৃত্যু হলে পাঠ করা হয়)

১. সিযা কুসলং ধম্মং পটিচ্চ কুসলো ধম্মো উপ্পজ্জেয্য হেতুপচ্চযা। কুসলং ধম্মং পটিচ্চ কুসলো ধম্মো উপ্পজ্জতি হেতুপচ্চযা— কুসলং একং খন্ধং পটিচ্চ তযো খন্ধা, তযো খন্ধে পটিচ্চ একো খন্ধো, দ্বে খন্ধে পটিচ্চ দ্বে খন্ধা। (তিনবার)

২. সিযা অকুসলং ধম্মং পটিচ্চ অকুসলো ধম্মো উপ্পজ্জেয্য হেতুপচ্চযা। অকুসলং ধম্মং পটিচ্চ অকুসলো ধম্মো উপ্পজ্জতি হেতুপচ্চযা— অকুসলং একং খন্ধং পটিচ্চ তযো খন্ধা, তযো খন্ধে পটিচ্চ একো খন্ধো, দ্বে খন্ধে পটিচ্চ দ্বে খন্ধা। (তিনবার)

৩. সিযা অব্যাকতং ধম্মং পটিচ্চ অব্যাকতো ধম্মো উপ্পজ্জেয্য হেতুপচ্চযা। অব্যাকতং ধম্মং পটিচ্চ অব্যাকতো ধম্মো উপ্পজ্জতি হেতুপচ্চযা— অব্যাকতং একং খন্ধং পটিচ্চ তযো খন্ধা, তযো খন্ধে পটিচ্চ একো খন্ধো, দ্বে খন্ধে পটিচ্চ দ্বে খন্ধা। (তিনবার)

মরণাস্মৃতি গাথা (মানুষের মৃত্যু হলে পাঠ করা হয়)

অনিচ্চা ৰত সঙ্খারা, উপ্পাদৰযধম্মিনো।
উপ্পজ্জিত্বা নিরুজ্ঝন্তি, তেসং ৰূপসমো সুখো।
সব্বে সত্তা মরন্তি চ, মরিংসু চ মরিস্সরে।
তথেৰহং মরিস্সামি, নত্থি মে এত্থ সংসযো।
জীৰিতং ব্যাধি কালো চ, দেহনিক্খেপনং গতি।
পঞ্চেতে জীৰলোকস্মিং, অনিমিত্তা ন ঞাযরে।
সব্বে সত্তা মরিস্সন্তি, মরণন্তং হি জীৰিতং।
যথাকম্মং গমিস্সন্তি, পুঞ্ঞপাপফলূপগা।
নিরযং পাপকম্মন্তা, পুঞ্ঞকম্মা চ সুগ্গতিং।
অপরে চ মগ্গং ভাৰেত্বা, পরিনিব্বন্তি অনাসৰা'তি। (তিনবার)
নবীনতর পূর্বতন